ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা: বাবর-আরিফ-গউছ খালাস, একজনের মৃত্যুদণ্ড

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর দেওয়া এই রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সাবেক হুইপ জিকে গউছসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। তবে মামলার অন্যতম আসামি হাফেজ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন। এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাঈমের পরিবার এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছে।

রায়ের পর খালাস পাওয়া নেতারা আদালত চত্বরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিগত সরকার সম্পূরক চার্জশিটের মাধ্যমে তাদের এই মামলায় জড়িয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় যুবলীগ কর্মী আব্দুল ওয়াহিদ নিহত হন এবং ২৯ জন আহত হন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ এই ঐতিহাসিক মামলার রায় চূড়ান্ত হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিবির আর্থিক সহায়তা বন্ধের আবেদন: আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল ইসলাম বুলবুল

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা: বাবর-আরিফ-গউছ খালাস, একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৫২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর দেওয়া এই রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং সাবেক হুইপ জিকে গউছসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। তবে মামলার অন্যতম আসামি হাফেজ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন। এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাঈমের পরিবার এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছে।

রায়ের পর খালাস পাওয়া নেতারা আদালত চত্বরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিগত সরকার সম্পূরক চার্জশিটের মাধ্যমে তাদের এই মামলায় জড়িয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় যুবলীগ কর্মী আব্দুল ওয়াহিদ নিহত হন এবং ২৯ জন আহত হন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ এই ঐতিহাসিক মামলার রায় চূড়ান্ত হলো।