পবিত্র ঈদুল আজহা আসন্ন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসেছে কোরবানির পশুর হাট। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পশু আসছে এসব হাটে। বিশাল আকৃতির পশুগুলোর নানা রকম নাম ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।
বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা পছন্দের পশু কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকেই ঘুরে ঘুরে দাম যাচাই করছেন। তবে বেশিরভাগ ক্রেতার নজর ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দিকে। বড় আকারের গরুগুলোর দাম বেশি হওয়ায় অনেকে কেবল দরদাম করেই সরে যাচ্ছেন।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে এবং খামারিদের আনা প্রচুর পশু থাকায় বিভিন্ন দামের পশু পাওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগের দিন বেচাবিক্রি আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন। তবে গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে গতবারের চেয়ে এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি। দাম সন্তোষজনক হলে পশু বিক্রি করে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তারা আশা করছেন, ঈদের আগেই সব পশু বিক্রি হয়ে যাবে। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু এলে লোকসানের আশঙ্কাও করছেন তারা।
পশুর হাটে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে ব্যবসায়ীরা কোরবানির পশুর নামকরণ করছেন বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তিদের নামে। দেশি-বিদেশি সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে খল অভিনেতা পর্যন্ত বাদ যাচ্ছেন না এই নামকরণ থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এসব নামকরণ নিয়ে চলছে আলোচনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পশু ব্যবসায়ী বলেন, “বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে গরুর নাম রাখলে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়ে। যদিও সবাই দাম জিজ্ঞাসা করে, তবে দেখতেও ভালো লাগে। এজন্য আমার একটি মহিষের নাম রেখেছি ডিপজল।” আরেক ব্যবসায়ী জানান, “পশুদের এমন নামকরণের ফলে অনেক সময় সেগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়, যা ভালো দাম পেতে সাহায্য করে।”
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিগত কয়েক বছর ধরে দেশে কোরবানির পশুর সংখ্যা কিছুটা কমছে। গত বছর সারা দেশে প্রায় ৯১ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 






















