পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকারি ছুটি শুরু হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এখনও যাত্রীর তেমন চাপ দেখা যায়নি। বৃষ্টি ও বিরূপ আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে নৌপথে যাত্রী চলাচলেও। তবে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে সন্ধ্যার পর থেকে যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে।
সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে সদরঘাট টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি কম। টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় কম থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। বিভিন্ন ঘাটে যাত্রীদের সারিবদ্ধভাবে লঞ্চে উঠতে দেখা যায়।
কেরানীগঞ্জ থেকে মোস্তফা ইব্রাহিম ভোলার চরফ্যাশনে যাচ্ছেন। তিনি কেরানীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন এবং ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ি ফিরছেন। তিনি বলেন, বাসের চেয়ে লঞ্চ যাত্রা তার জন্য সুবিধাজনক। বাসে গেলে আগে বরিশাল যেতে হয়, এরপর আবার নৌপথে ভোলায় যেতে হয়। কিন্তু লঞ্চে একবার উঠলেই সরাসরি যাওয়া যায়। এবার সদরঘাটে তেমন ভিড়ও নেই, আশা করি, স্বস্তিতে বাড়ি পৌঁছাতে পারব।
নরসিংদী থেকে আসা মাকসুদ ভোলার লালমোহনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভোগান্তি হয়েছে। তবে সদরঘাটে এসে তেমন ভিড় দেখিনি। তার নির্ধারিত লঞ্চ কিছুক্ষণ আগে ছেড়ে গেছে, এখন পরের লঞ্চে যাবেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে যাবেন কলেজ শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, যাত্রীদের চাপ নেই, বাসা থেকে ১২টার দিকে বের হয়েছি, ভেবেছিলাম অনেক ভিড় হবে তবে তেমন ভিড় নেই। আশা করি, ভালোভাবে বাসায় পৌঁছে মা-বাবা ও আত্মীয়দের সঙ্গে ঈদ করব।
ঢাকা-কালীগঞ্জ-ইলিশা রুটের সম্পদ লঞ্চের সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম বলেন, যাত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ। আবহাওয়া ভালো থাকলে মানুষ বেশি বের হতো। তারপরও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় যাত্রী কিছুটা বেড়েছে। আশা করছি, আগামীকাল আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে প্রচুর যাত্রী হবে।
লঞ্চ ভাড়া নিয়ে তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই। কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বললেও ভাড়া নিয়ে তেমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
সদরঘাটে দায়িত্ব পালনরত বিআইডব্লিউটিএ’র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আজ ৮০টিরও বেশি লঞ্চ সদরঘাট টার্মিনাল থেকে ছেড়ে গেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















