ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ইরান, উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান। বিশেষ করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে তেহরান যে গতিতে এগোচ্ছে, তা দেখে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ইরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধারণা করেছিল, ইরানের এই সামরিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র তাদের সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের এই দ্রুত সামরিক অগ্রগতির পেছনে রাশিয়া ও চীনের কারিগরি ও যন্ত্রাংশ সহায়তার বড় ভূমিকা রয়েছে। যদিও চীন এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে তথ্যহীন দাবি বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করা হলেও পেন্টাগন জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই দ্রুত সামরিক সক্ষমতা অর্জন মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানকে আবারও একটি অপরাজেয় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামাস নেতার সঙ্গে ইরানি স্পিকারের বৈঠক: কূটনীতি ও সামরিক শক্তির সমন্বয়ে গুরুত্ব

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ইরান, উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান। বিশেষ করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে তেহরান যে গতিতে এগোচ্ছে, তা দেখে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ইরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধারণা করেছিল, ইরানের এই সামরিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র তাদের সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের এই দ্রুত সামরিক অগ্রগতির পেছনে রাশিয়া ও চীনের কারিগরি ও যন্ত্রাংশ সহায়তার বড় ভূমিকা রয়েছে। যদিও চীন এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে তথ্যহীন দাবি বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করা হলেও পেন্টাগন জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই দ্রুত সামরিক সক্ষমতা অর্জন মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানকে আবারও একটি অপরাজেয় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।