ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বড় বোনের হয়ে ‘আয়নাবাজি’, কারাগারে গিয়ে ধরা পড়ল ছোট বোন

প্রতারণার মামলায় বড় বোনের পরিবর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে গিয়েছিল এক নারী, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো নারীর চেহারার অমিল ধরা পড়ার পর ‘প্রক্সি’ আত্মসমর্পণের ঘটনাটি উন্মোচিত হয়। এরপর আদালত ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে অভিযুক্ত এই তরুণীর আইনজীবী জানান, তার নাম ভাবনা, তিনি প্রকৃত আসামি শারমিন আক্তার একা নন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বড় বোন শারমিন আক্তার একার পক্ষে ছোট বোন আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান। পরবর্তীতে রিমান্ড শুনানির সময় বাদীপক্ষ দাবি করে, কাঠগড়ায় উপস্থিত নারী প্রকৃত আসামি নন। আদালত তখন তাকে মুখ দেখাতে বললে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে তার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এরপর বিচারক ওই নারী শারমিন আক্তার একা কিনা, তা যাচাই করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে তিনি আসামির পরিচয় যাচাই করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। রিমান্ড শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন চাইলেও, বাদীপক্ষের আইনজীবীরা প্রতারণার বিষয়টি উল্লেখ করে রিমান্ডের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

বড় বোনের হয়ে ‘আয়নাবাজি’, কারাগারে গিয়ে ধরা পড়ল ছোট বোন

আপডেট সময় : ০৬:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

প্রতারণার মামলায় বড় বোনের পরিবর্তে আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে গিয়েছিল এক নারী, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো নারীর চেহারার অমিল ধরা পড়ার পর ‘প্রক্সি’ আত্মসমর্পণের ঘটনাটি উন্মোচিত হয়। এরপর আদালত ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে অভিযুক্ত এই তরুণীর আইনজীবী জানান, তার নাম ভাবনা, তিনি প্রকৃত আসামি শারমিন আক্তার একা নন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বড় বোন শারমিন আক্তার একার পক্ষে ছোট বোন আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান। পরবর্তীতে রিমান্ড শুনানির সময় বাদীপক্ষ দাবি করে, কাঠগড়ায় উপস্থিত নারী প্রকৃত আসামি নন। আদালত তখন তাকে মুখ দেখাতে বললে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে তার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। এরপর বিচারক ওই নারী শারমিন আক্তার একা কিনা, তা যাচাই করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে তিনি আসামির পরিচয় যাচাই করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। রিমান্ড শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন চাইলেও, বাদীপক্ষের আইনজীবীরা প্রতারণার বিষয়টি উল্লেখ করে রিমান্ডের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন।