আধুনিক প্রসাধনী ও কেমিক্যালযুক্ত বিউটি সিরামের ভিড়ে আবারও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ভারতের প্রাচীন কাশ্মীরি রূপচর্চার ঐতিহ্য। যুগ যুগ ধরে কাশ্মীরি পরিবারগুলোতে প্রচলিত প্রাকৃতিক ও আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিগুলো এখন বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্য সচেতনদের নজর কাড়ছে। বিশেষ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং সজীবতা ধরে রাখতে কাশ্মীরি জাফরান ও বাদাম তেলের ব্যবহার নতুন করে চর্চিত হচ্ছে।
কাশ্মীরি নারীরা ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে ঐতিহ্যগতভাবে দুধ বা গোলাপ জলে জাফরান ভিজিয়ে ব্যবহার করতেন। বর্তমানে বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের ফেস মাস্ক ও সিরামেও এই জাফরানের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া ‘কাশ্মীরি কাহওয়া’ নামক বিশেষ চা এখন কেবল পানীয় নয়, বরং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সৌন্দর্য পানীয় হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে, যা ভেতর থেকে ত্বককে সতেজ রাখে।
শীতকালীন ত্বকের শুষ্কতা রোধে কাশ্মীরি বাদাম তেলের ম্যাসাজ অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি আখরোটের খোসা দিয়ে তৈরি প্রাকৃতিক স্ক্রাব ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ত্বকের দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মানুষ এখন কৃত্রিম প্রসাধনী ছেড়ে এই প্রাচীন ও ভেষজ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে।
রিপোর্টারের নাম 

























