ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

জনবল ও অবকাঠামো সংকটে রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: ব্যাহত হচ্ছে ভূমি নিবন্ধন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তীব্র জনবল সংকট ও জরাজীর্ণ অবকাঠামোর কারণে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনুমোদিত ছয়টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র তিনজন স্থায়ী কর্মী কর্মরত থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির সামাল দিতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী দিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালানো হচ্ছে, যা সেবার গুণমান ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রার, অফিস সহকারী ও মোহরারসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। নিজস্ব ভবন না থাকায় পুরোনো কোর্ট ভবনের মাত্র পাঁচটি ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে চলছে কার্যক্রম। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই অফিসে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৪০০টি দলিল নিবন্ধিত হয়। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার এবাদত হোসেন জানান, তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজীপুর ও গান্ধাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসেও কাজ করতে হয়, যার ফলে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন রায়গঞ্জে সময় দিতে পারেন। সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুতই জনবল নিয়োগ ও নতুন ভবন নির্মাণের আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদ উদযাপনের মধ্যে মর্মান্তিক ঘটনা: গলায় মাংস আটকে কিশোরের মৃত্যু

জনবল ও অবকাঠামো সংকটে রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: ব্যাহত হচ্ছে ভূমি নিবন্ধন

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তীব্র জনবল সংকট ও জরাজীর্ণ অবকাঠামোর কারণে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনুমোদিত ছয়টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র তিনজন স্থায়ী কর্মী কর্মরত থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির সামাল দিতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী দিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালানো হচ্ছে, যা সেবার গুণমান ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রার, অফিস সহকারী ও মোহরারসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। নিজস্ব ভবন না থাকায় পুরোনো কোর্ট ভবনের মাত্র পাঁচটি ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে চলছে কার্যক্রম। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই অফিসে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৪০০টি দলিল নিবন্ধিত হয়। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার এবাদত হোসেন জানান, তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজীপুর ও গান্ধাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসেও কাজ করতে হয়, যার ফলে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন রায়গঞ্জে সময় দিতে পারেন। সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার শরীফ তোরাফ হোসেন জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুতই জনবল নিয়োগ ও নতুন ভবন নির্মাণের আশা করা হচ্ছে।