ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ী করার দাবিতে রাজশাহীতে ডাকঘর কর্মীদের বিক্ষোভ

রাজশাহীর তানোরে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা। বুধবার সকালে তানোর উপজেলা সদরের প্রধান ডাকঘরের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজারে সামান্য বেতন-ভাতায় তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এখনো বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্থায়ী স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারীরা তাদের বেতন তিন গুণ বৃদ্ধি এবং শাখা ডাকঘরের সকল এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মচারীকে স্থায়ী করার জোর দাবি জানান।

পরে আন্দোলনকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের দুই দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রদান করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শাখা ডাকঘরের অর্ধশতাধিক কর্মচারী অংশ নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় তেল ট্যাঙ্কার ফিরিয়ে দিল ইরান

বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ী করার দাবিতে রাজশাহীতে ডাকঘর কর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর তানোরে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা। বুধবার সকালে তানোর উপজেলা সদরের প্রধান ডাকঘরের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজারে সামান্য বেতন-ভাতায় তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এখনো বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্থায়ী স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারীরা তাদের বেতন তিন গুণ বৃদ্ধি এবং শাখা ডাকঘরের সকল এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মচারীকে স্থায়ী করার জোর দাবি জানান।

পরে আন্দোলনকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের দুই দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রদান করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শাখা ডাকঘরের অর্ধশতাধিক কর্মচারী অংশ নেন।