ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মার্কিন রাজনীতির প্রভাবশালী ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব লিন্ডসে গ্রাহামের প্রয়াণ

মার্কিন রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব, রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম আর নেই। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে তার কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সিনেটে দাপটের সঙ্গে কাজ করা এই নেতা ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইসরাইলের কট্টর সমর্থক।

২০০২ সালে প্রথমবারের মতো সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে লিন্ডসে গ্রাহাম যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তবে তার যুদ্ধপন্থী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের জোরালো সমর্থন তাকে বারবার আন্তর্জাতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ, ইরান ইস্যু এবং ইউক্রেন সংকটে তার কঠোর অবস্থান বিশ্বজুড়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে।

মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগেও তিনি ইউক্রেন সফর করেন এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের নাটকীয় উত্থান-পতন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান সমর্থক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তার মৃত্যুতে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ: ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব শত শত পরিবার

মার্কিন রাজনীতির প্রভাবশালী ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব লিন্ডসে গ্রাহামের প্রয়াণ

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মার্কিন রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব, রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম আর নেই। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে তার কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সিনেটে দাপটের সঙ্গে কাজ করা এই নেতা ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইসরাইলের কট্টর সমর্থক।

২০০২ সালে প্রথমবারের মতো সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে লিন্ডসে গ্রাহাম যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তবে তার যুদ্ধপন্থী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের জোরালো সমর্থন তাকে বারবার আন্তর্জাতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ, ইরান ইস্যু এবং ইউক্রেন সংকটে তার কঠোর অবস্থান বিশ্বজুড়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে।

মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগেও তিনি ইউক্রেন সফর করেন এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের নাটকীয় উত্থান-পতন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান সমর্থক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তার মৃত্যুতে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।