নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় একটি পাগলা কুকুরের আক্রমণে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে উপজেলার বগাদী, রামচন্দ্রদী ও জালাকান্দি—এই তিনটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ঢাকার মহাখালী জলাতঙ্ক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বগাদী গ্রামে প্রথমে কুকুরটি কয়েকজনকে কামড়ায়। এরপর এটি পাশের রামচন্দ্রদী ও জালাকান্দি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে এবং সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই আক্রমণ করে। এতে মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন। এদের মধ্যে জুবায়ের (৫), জান্নাতুল ফেরদৌস (৩২), কুলসুম (৪০), ডলি (৪৫), রায়হান (২০), জাহাঙ্গীর (৪০), ওমর আলী (৭০), সাগরিকা (৩০), ফাতেমা (৩৫) ও হাওয়া (৩০)-এর নাম জানা গেছে। আরও কয়েকজন স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। বগাদী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, প্রথমে জুবায়ের নামে এক শিশুকে কামড়ানোর পর কুকুরটি দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে আতঙ্কে অভিভাবকেরা শিশুদের ঘরের বাইরে যেতে দিচ্ছেন না।
আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুল জানান, আহতদের হাসপাতালে এনে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মহাখালী জলাতঙ্ক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পাগলা কুকুরটি আটক বা নিধনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
রিপোর্টারের নাম 

























