ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য: সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরল একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ শিশু

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন থাকা সেই পাঁচ ‘প্রিম্যাচিউর’ বা সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু অবশেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিশুদের তাদের বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতন চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ৩০ বছর বয়সী এক মা ৩৩ সপ্তাহে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই পাঁচ শিশুর জন্ম দেন। শিশুদের মধ্যে দুইজন কন্যা ও তিনজন পুত্র। জন্মের সময় তাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম ছিল। শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিলতা থাকায় জন্মের পরপরই তাদের নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং এক মাস পর দেখা যায় শিশুদের ওজন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এবং তারা এখন পুরোপুরি বিপদমুক্ত।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একসঙ্গে পাঁচজন প্রিম্যাচিউর শিশুকে বাঁচিয়ে রাখা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং বিরল একটি ঘটনা। বিএমইউ উপাচার্য এই সাফল্যকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সদের দক্ষতার ফসল হিসেবে অভিহিত করেছেন। ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার ও উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমেই এই অসম্ভবকে সম্ভব করা হয়েছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাকে স্বাগত জানিয়েছে

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য: সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরল একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ শিশু

আপডেট সময় : ০৫:১৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন থাকা সেই পাঁচ ‘প্রিম্যাচিউর’ বা সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু অবশেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিশুদের তাদের বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতন চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ৩০ বছর বয়সী এক মা ৩৩ সপ্তাহে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই পাঁচ শিশুর জন্ম দেন। শিশুদের মধ্যে দুইজন কন্যা ও তিনজন পুত্র। জন্মের সময় তাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম ছিল। শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিলতা থাকায় জন্মের পরপরই তাদের নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় এবং এক মাস পর দেখা যায় শিশুদের ওজন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এবং তারা এখন পুরোপুরি বিপদমুক্ত।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একসঙ্গে পাঁচজন প্রিম্যাচিউর শিশুকে বাঁচিয়ে রাখা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এবং বিরল একটি ঘটনা। বিএমইউ উপাচার্য এই সাফল্যকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সদের দক্ষতার ফসল হিসেবে অভিহিত করেছেন। ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার ও উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমেই এই অসম্ভবকে সম্ভব করা হয়েছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।