ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে ইসরাইলের উদ্বেগ

ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হতে যাওয়া সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দেশটির অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ইসরাইলের আশঙ্কা, এই চুক্তি কার্যকর হলে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি সূত্রগুলোর প্রধান উদ্বেগের মধ্যে একটি হলো—সম্ভাব্য সমঝোতার ফলে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অপসারণ বা এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর দাবি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে। একজন ইসরাইলি সূত্র হারেৎজকে জানিয়েছেন, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ইসরাইলের প্রভাব ছিল সীমিত। ফলে চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত নির্ধারণে তেল আবিবের ভূমিকা প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই সূত্র আরও জানায়, সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি ইসরাইলের বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্যগুলো কতটা পূরণ করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ এবং হিজবুল্লাহর সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার সম্ভাবনা যতই জোরালো হোক না কেন, ইসরাইলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থের প্রশ্নে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজার ভেতরে ‘ইয়েলো লাইন’ সরিয়ে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার: ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে ইসরাইলের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হতে যাওয়া সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দেশটির অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ইসরাইলের আশঙ্কা, এই চুক্তি কার্যকর হলে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি সূত্রগুলোর প্রধান উদ্বেগের মধ্যে একটি হলো—সম্ভাব্য সমঝোতার ফলে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অপসারণ বা এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর দাবি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে। একজন ইসরাইলি সূত্র হারেৎজকে জানিয়েছেন, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ইসরাইলের প্রভাব ছিল সীমিত। ফলে চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত নির্ধারণে তেল আবিবের ভূমিকা প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই সূত্র আরও জানায়, সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি ইসরাইলের বৃহত্তর কৌশলগত লক্ষ্যগুলো কতটা পূরণ করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ এবং হিজবুল্লাহর সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার সম্ভাবনা যতই জোরালো হোক না কেন, ইসরাইলের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থের প্রশ্নে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।