ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে নবীনগরের আলীয়াবাদ খাল: বিপাকে কৃষিজীবীরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আলীয়াবাদ বিলের খালটি এখন দখল আর অবহেলায় বিলীন হওয়ার পথে। এক সময়ের প্রমত্তা এই খালটি বর্তমানে সরু ড্রেনে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় শত শত কৃষক। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি, আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কার্যক্রম।

উপজেলার শ্রীরামপুর মৌজার এই খালটি একসময় ১০০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত ছিল। কিন্তু গত কয়েক যুগে কোনো খনন কাজ না হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা খালের দুই পাশ ভরাট করে নিজেদের জমির সাথে মিশিয়ে নিয়েছে। ফলে ম্যাপে ২ হাজার ৪০০ ফুট দীর্ঘ ও প্রশস্ত এই খালের অস্তিত্ব এখন কেবল কাগজে-কলমে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খালের অধিকাংশ স্থান এখন মাত্র ৩-৪ ফুট চওড়া।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই খালটির সাথে জড়িয়ে আছে নানা স্মৃতি। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটির পাড়ে বসে বিশ্রাম নিয়েছিলেন এবং ভাটা নদী খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। অথচ সেই খালের এখন করুণ দশা। বর্ষাকালে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ায় মাছ মরে যাচ্ছে এবং কৃষকদের চর্মরোগসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। স্থানীয় জেলেরা কর্মসংস্থান হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খালটি দ্রুত খনন করে আগের রূপে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি গোয়েন্দা প্রধানদের গোপন আমিরাত সফর: ইরান যুদ্ধের মধ্যে নতুন মেরুকরণ?

দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে নবীনগরের আলীয়াবাদ খাল: বিপাকে কৃষিজীবীরা

আপডেট সময় : ০৩:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আলীয়াবাদ বিলের খালটি এখন দখল আর অবহেলায় বিলীন হওয়ার পথে। এক সময়ের প্রমত্তা এই খালটি বর্তমানে সরু ড্রেনে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় শত শত কৃষক। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি, আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কার্যক্রম।

উপজেলার শ্রীরামপুর মৌজার এই খালটি একসময় ১০০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত ছিল। কিন্তু গত কয়েক যুগে কোনো খনন কাজ না হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা খালের দুই পাশ ভরাট করে নিজেদের জমির সাথে মিশিয়ে নিয়েছে। ফলে ম্যাপে ২ হাজার ৪০০ ফুট দীর্ঘ ও প্রশস্ত এই খালের অস্তিত্ব এখন কেবল কাগজে-কলমে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খালের অধিকাংশ স্থান এখন মাত্র ৩-৪ ফুট চওড়া।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই খালটির সাথে জড়িয়ে আছে নানা স্মৃতি। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটির পাড়ে বসে বিশ্রাম নিয়েছিলেন এবং ভাটা নদী খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। অথচ সেই খালের এখন করুণ দশা। বর্ষাকালে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ায় মাছ মরে যাচ্ছে এবং কৃষকদের চর্মরোগসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। স্থানীয় জেলেরা কর্মসংস্থান হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খালটি দ্রুত খনন করে আগের রূপে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।