ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

সীতাকুণ্ডে ৫৭৮ টন সরকারি চাল জব্দ: দরিদ্রের চাল নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি গুদামে যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৭৮ টন সরকারি চাল জব্দ করেছে র‍্যাব-৭ ও জেলা প্রশাসন। বুধবার দুপুরে উপজেলার কদমরসুল এলাকার একটি কার্পেট কারখানার গুদাম থেকে এই বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল অবৈধভাবে মজুদ করে ভিন্ন মোড়কে বাজারজাত করার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

অভিযান চলাকালে গুদাম থেকে সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সিল ও মনোগ্রামযুক্ত বস্তা পাওয়া যায়। র‍্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুদাম কর্তৃপক্ষ চাল সংরক্ষণের কোনো বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, টিআর, কাবিখা ও ভিজিএফ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা চাল অসৎ উপায়ে সংগ্রহ করে সেখানে মজুদ করা হয়েছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বিশাল মজুদ কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়, এর পেছনে একটি সুসংগঠিত চক্র কাজ করছে। পুরো সিন্ডিকেটটিকে শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকৃত চালের উৎস এবং সরবরাহ চেইনের সাথে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর রাতে ইন্টারনেটে মানুষ যা বেশি খোঁজে: উঠে এলো চমকপ্রদ তথ্য

সীতাকুণ্ডে ৫৭৮ টন সরকারি চাল জব্দ: দরিদ্রের চাল নিয়ে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি গুদামে যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৭৮ টন সরকারি চাল জব্দ করেছে র‍্যাব-৭ ও জেলা প্রশাসন। বুধবার দুপুরে উপজেলার কদমরসুল এলাকার একটি কার্পেট কারখানার গুদাম থেকে এই বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল অবৈধভাবে মজুদ করে ভিন্ন মোড়কে বাজারজাত করার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

অভিযান চলাকালে গুদাম থেকে সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সিল ও মনোগ্রামযুক্ত বস্তা পাওয়া যায়। র‍্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুদাম কর্তৃপক্ষ চাল সংরক্ষণের কোনো বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, টিআর, কাবিখা ও ভিজিএফ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা চাল অসৎ উপায়ে সংগ্রহ করে সেখানে মজুদ করা হয়েছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বিশাল মজুদ কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়, এর পেছনে একটি সুসংগঠিত চক্র কাজ করছে। পুরো সিন্ডিকেটটিকে শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকৃত চালের উৎস এবং সরবরাহ চেইনের সাথে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।