কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হলেও হাসি নেই স্থানীয় বর্গাচাষিদের মুখে। অকাল বন্যা, অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে বহু কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। ফসলের এই ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি এনজিও ও মহাজনদের ঋণের কিস্তির চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। বিশেষ করে ভূমিহীন কৃষকদের জন্য এবারের মৌসুম যেন এক বড় দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিজের জমি না থাকায় ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে কৃষিঋণ পান না তারা। ফলে বাধ্য হয়ে উচ্চ সুদে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কিংবা স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করতে হয়। এবার ফলন বিপর্যয়ের কারণে সেই ঋণের বোঝা এখন পাহাড়সম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক কৃষক পাওনাদারদের চাপে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাওরাঞ্চলে বছরে মাত্র একবারই ফসল ফলে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেই ফসল নষ্ট হয়ে গেলে বর্গাচাষিদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়। কারণ জমির মালিকরা তাদের অগ্রিম পাওনা বুঝে পেলেও ক্ষতির পুরো দায়ভার বহন করতে হয় কৃষককেই। এই সংকট উত্তরণে প্রান্তিক চাষিদের জন্য সহজ শর্তে সরকারি ঋণ ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন হাওরবাসী।
রিপোর্টারের নাম 






















