ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জেরে তদন্তের মুখে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রত্যাশার চেয়েও অনেক খারাপ পারফরম্যান্সের পর দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হং মিউং-বো এখন তদন্তের মুখে পড়েছেন। গ্রুপ পর্বে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি এই ব্যর্থতায় গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং দল নির্বাচন ও কোচ নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে পুরো প্রক্রিয়ার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যোগ্যতার চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দিলে তার ফল কখনোই ভালো হয় না, এবং জাতীয় দলের এই ভরাডুবি তারই প্রতিফলন। সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে দল গঠন ও পরিচালনা ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

হং মিউং-বোকে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়ার সময় থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল গণমাধ্যম। অভিযোগ ছিল, স্বচ্ছতার অভাব এবং স্বজনপ্রীতির কারণে তার নিয়োগ হয়েছে। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর এই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটে কোচ বরখাস্তের দাবিতে একটি গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে ‘কোচ হংয়ের প্রবেশ নিষেধ’ লেখা পোস্টার ও সাইনবোর্ড টাঙানোর ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশজুড়ে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অসন্তোষের চিত্র তুলে ধরেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জেরে তদন্তের মুখে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রত্যাশার চেয়েও অনেক খারাপ পারফরম্যান্সের পর দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হং মিউং-বো এখন তদন্তের মুখে পড়েছেন। গ্রুপ পর্বে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি এই ব্যর্থতায় গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং দল নির্বাচন ও কোচ নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে পুরো প্রক্রিয়ার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যোগ্যতার চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দিলে তার ফল কখনোই ভালো হয় না, এবং জাতীয় দলের এই ভরাডুবি তারই প্রতিফলন। সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে দল গঠন ও পরিচালনা ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

হং মিউং-বোকে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব দেওয়ার সময় থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল গণমাধ্যম। অভিযোগ ছিল, স্বচ্ছতার অভাব এবং স্বজনপ্রীতির কারণে তার নিয়োগ হয়েছে। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর এই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটে কোচ বরখাস্তের দাবিতে একটি গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে ‘কোচ হংয়ের প্রবেশ নিষেধ’ লেখা পোস্টার ও সাইনবোর্ড টাঙানোর ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশজুড়ে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অসন্তোষের চিত্র তুলে ধরেছে।