রাজধানীবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের লক্ষ্যে গৃহীত ঢাকা ওয়াসার একাধিক মেগা প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে পদ্মা (জশলদিয়া) পানি শোধনাগার এবং রামপুরা-কমলাপুর পাম্পিং স্টেশন প্রকল্পে প্রকৌশলগত ত্রুটি ও অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে বিপুল অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ওয়াসার সাবেক এমডি তাকসিম এ খান এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম।
দাপ্তরিক নথিপত্র অনুযায়ী, ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্প থেকে দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহের কথা থাকলেও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৩ কোটি লিটার। একইভাবে ৪০০ কোটি টাকার কমলাপুর পাম্পিং স্টেশন প্রকল্পটি বর্তমানে একটি অকার্যকর প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব লুটপাট চালানো হয়েছে, যার ফলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানও একসময় ধামাচাপা পড়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্ত প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামকে ওএসডি করা হলেও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের সুষ্ঠু তদন্ত এখনো শুরু হয়নি। নিরাপদ পানির প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনস্বার্থের টাকা যেভাবে অপচয় করা হয়েছে, তার বিচার দাবি করছেন সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 
























