ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর আইন: ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার বন্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। রোববার শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবিত এই আইনে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ‘দি পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রায় ৪৫ বছরের পুরনো। বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই আইনটি আর যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে অনলাইনে প্রশ্ন ফাঁস এবং পরীক্ষার ডেটাবেজে অবৈধ প্রবেশের মতো অপরাধ দমনে নতুন এই সংশোধনী আনা হয়েছে। বিলে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শব্দটিকে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে সাইবার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহজ হয়।

এছাড়া কোনো অপরাধী চক্র যদি পরিকল্পিতভাবে প্রশ্ন ফাঁস বা জাল সার্টিফিকেট তৈরির মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই যুগোপযোগী আইনটি অত্যন্ত জরুরি। বিলটি বর্তমানে সংসদীয় কমিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অধীনে রয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর তিস্তার পানি, নীলফামারীতে বন্যার শঙ্কা

পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর আইন: ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার বন্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। রোববার শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবিত এই আইনে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ‘দি পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রায় ৪৫ বছরের পুরনো। বর্তমান যুগের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই আইনটি আর যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে অনলাইনে প্রশ্ন ফাঁস এবং পরীক্ষার ডেটাবেজে অবৈধ প্রবেশের মতো অপরাধ দমনে নতুন এই সংশোধনী আনা হয়েছে। বিলে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শব্দটিকে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যাতে সাইবার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহজ হয়।

এছাড়া কোনো অপরাধী চক্র যদি পরিকল্পিতভাবে প্রশ্ন ফাঁস বা জাল সার্টিফিকেট তৈরির মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই যুগোপযোগী আইনটি অত্যন্ত জরুরি। বিলটি বর্তমানে সংসদীয় কমিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অধীনে রয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।