ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কারাগারের চার দেয়ালে বদলে যাওয়া জীবন, এখন লাইব্রেরিয়ানের দায়িত্বে ঐশী

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রীকে হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত তাদের মেয়ে ঐশী রহমানের জীবন এখন কাটছে কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে। এক সময় যাকে নিয়ে তার বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল, সেই ঐশী এখন গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন লাইব্রেরিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ কারাজীবনে শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়ে তিনি এখন কারাগারের পাঠাগার দেখাশোনার কাজে যুক্ত হয়েছেন।

২০১৩ সালের আগস্ট মাসে রাজধানীর চ্যামেলীবাগে নিজ বাসা থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ঐশী নিজেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও পরে উচ্চ আদালত তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে তার কারাজীবনের ১৩ বছর অতিবাহিত হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী তাকে আরও ১৭ বছর কারাভোগ করতে হবে।

কারা সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় বন্দি থাকার ফলে ঐশীর আচরণে পরিবর্তন এসেছে। কারাগারের নিয়মকানুন মেনে চলায় তাকে লাইব্রেরিয়ানের মতো দায়িত্বশীল কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমা বা সাজা মওকুফের যে আইনি বিধান রয়েছে, ভবিষ্যতে তিনি সেই সুবিধা পাবেন কি না তা নির্ভর করবে তার পরবর্তী আচরণ ও সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর তিস্তার পানি, নীলফামারীতে বন্যার শঙ্কা

কারাগারের চার দেয়ালে বদলে যাওয়া জীবন, এখন লাইব্রেরিয়ানের দায়িত্বে ঐশী

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রীকে হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত তাদের মেয়ে ঐশী রহমানের জীবন এখন কাটছে কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরে। এক সময় যাকে নিয়ে তার বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল, সেই ঐশী এখন গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন লাইব্রেরিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ কারাজীবনে শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়ে তিনি এখন কারাগারের পাঠাগার দেখাশোনার কাজে যুক্ত হয়েছেন।

২০১৩ সালের আগস্ট মাসে রাজধানীর চ্যামেলীবাগে নিজ বাসা থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ঐশী নিজেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলেও পরে উচ্চ আদালত তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে তার কারাজীবনের ১৩ বছর অতিবাহিত হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী তাকে আরও ১৭ বছর কারাভোগ করতে হবে।

কারা সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় বন্দি থাকার ফলে ঐশীর আচরণে পরিবর্তন এসেছে। কারাগারের নিয়মকানুন মেনে চলায় তাকে লাইব্রেরিয়ানের মতো দায়িত্বশীল কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমা বা সাজা মওকুফের যে আইনি বিধান রয়েছে, ভবিষ্যতে তিনি সেই সুবিধা পাবেন কি না তা নির্ভর করবে তার পরবর্তী আচরণ ও সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।