প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফর দেশের জন্য এক অভূতপূর্ব সাফল্য বয়ে এনেছে। এই সফরের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সংসদে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। বিশেষ করে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের পক্ষ থেকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়াকে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে তাঁর বিদেশ সফর সম্পর্কে অবহিত করেন। এই সফরে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক এবং দুই বন্ধু দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নতুন কোনো রপ্তানি খাত তৈরির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের আগ্রহ ছিল। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, তিনি তাঁর সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি অনুসরণ করে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সময়কালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কর্তৃক উত্থাপিত দ্বিপক্ষীয় সফল সফর সম্পর্কে ধন্যবাদ প্রস্তাব সংসদে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং বৈদেশিক নীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















