ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের যুবক রহিম, পরিবারে শোকের মাতম

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এক যুবক। নিহত আ. রহিম (৩০) উপজেলার পুটিজানা নামাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। গত ২ মে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় একটি ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় রহিমের পাশাপাশি আরও এক বাংলাদেশি ও একজন নাইজেরিয়ান যুবক নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবর মাসে জীবিকার তাগিদে রাশিয়ায় পাড়ি জমান রহিম। পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কথা বললেও, গত ৭ এপ্রিল তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। বিষয়টি তিনি পরিবারের কাছে গোপন রেখেছিলেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় রহিমের বন্ধু লিমন দত্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। লিমন নিজেও রুশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং একই হামলায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে রহিমের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। নিহতের মা রমিচা খাতুন ও বাবা আজিজুল হক তাদের সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, সরকারিভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা না পেলেও নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নতুন নিয়োগ: আবেদন ২৬ জুলাই পর্যন্ত

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের যুবক রহিম, পরিবারে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ০১:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এক যুবক। নিহত আ. রহিম (৩০) উপজেলার পুটিজানা নামাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। গত ২ মে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় একটি ড্রোন হামলায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় রহিমের পাশাপাশি আরও এক বাংলাদেশি ও একজন নাইজেরিয়ান যুবক নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবর মাসে জীবিকার তাগিদে রাশিয়ায় পাড়ি জমান রহিম। পরিবারের সদস্যদের কাছে তিনি সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কথা বললেও, গত ৭ এপ্রিল তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। বিষয়টি তিনি পরিবারের কাছে গোপন রেখেছিলেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় রহিমের বন্ধু লিমন দত্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। লিমন নিজেও রুশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং একই হামলায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে রহিমের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। নিহতের মা রমিচা খাতুন ও বাবা আজিজুল হক তাদের সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, সরকারিভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা না পেলেও নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।