গাজীপুরের শ্রীপুরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সালিশি বৈঠকে জয়নাল আবেদিন (৬০) নামে এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের নেতৃত্বে তাকে নির্মমভাবে মারধর করার দুই দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত জয়নাল আবেদিন প্রহলাদপুর ইউনিয়নের ফাওগান গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ৯ মে ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে জয়নাল আবেদিনকে ফাওগান বাজারে একটি সালিশে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে ইউপি সদস্য রাশিদুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের সময় তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলেরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলেও অভিযুক্তরা তাতে বাধা দেয় এবং পুনরায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যসহ অন্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























