সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, যার ফলে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। স্থান সংকুলানের অভাবে অনেক শিশুকে এক শয্যায় একাধিকবার রাখা হচ্ছে এবং চিকিৎসা প্রদানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। শুধু শয্যা সংকটই নয়, গুরুতর অসুস্থ শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটের (আইসিইউ) অপ্রতুলতাও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে, শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের পাশাপাশি এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য শিশু ওয়ার্ডে ৩২ শয্যার একটি নতুন ইউনিট চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ শয্যার একটি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রও বাড়ানো হয়েছে। সব মিলিয়ে সিলেটে মোট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের সংখ্যা এখন ২২। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর মুনীর রাশেদ জানান, হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ওসমানী হাসপাতালে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না, তাই নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে ২৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তিন জনের হাম শনাক্ত হয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং তিন জনের দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৮০ জন হাম রোগী ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে কেবল শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালেই ১২৬ জন। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিনের টিকা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, শিশুদের সময়মতো টিকা না নেওয়া এবং দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণেই এবার হামের জটিলতা ও মৃত্যুহার বেড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























