ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের ওষুধ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম নিশ্চিত করার জন্য ওষুধ মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় তিনি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক ভগ্নদশা এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করেন। বিগত ৫-৭ বছর ধরে অনেক হাসপাতালের ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি, কোথাও যন্ত্রপাতি নেই, আবার কোথাও ওষুধের সংকট রয়েছে বলে তিনি জানান।

ওষুধের দাম নির্ধারণের বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ নীতির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ওষুধ কোম্পানিগুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফা প্রয়োজন। কিন্তু আমরা এমন কোনো নীতিমালা চাই না যার ফলে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো—এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখা যাতে জনগণ এবং সরকার কোনোভাবেই বিপদে না পড়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নিশ্চিত করতে চাই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপন বৈঠকে ইসরায়েলকে বর্ণবাদী দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তুলনা করলেন ইইউ’র কাজা কালাস

ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের ওষুধ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম নিশ্চিত করার জন্য ওষুধ মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা যেমন জরুরি, তেমনি যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় তিনি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক ভগ্নদশা এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করেন। বিগত ৫-৭ বছর ধরে অনেক হাসপাতালের ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি, কোথাও যন্ত্রপাতি নেই, আবার কোথাও ওষুধের সংকট রয়েছে বলে তিনি জানান।

ওষুধের দাম নির্ধারণের বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ নীতির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ওষুধ কোম্পানিগুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফা প্রয়োজন। কিন্তু আমরা এমন কোনো নীতিমালা চাই না যার ফলে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো—এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখা যাতে জনগণ এবং সরকার কোনোভাবেই বিপদে না পড়ে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নিশ্চিত করতে চাই।’