ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

লেবাননে নিহত দিপালীর মরদেহ দেশে, ফরিদপুরের বাড়িতে শোকের মাতম

লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী বেগমের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। প্রায় এক মাস পর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিপালীর মরদেহবাহী বিমান অবতরণ করে। সেখানে পরিবারের সদস্যরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দের উপস্থিতিতে মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন তারা। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে পৌঁছে ট্রলারে করে চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে আসেন। সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে করে দিপালীর মরদেহ পূর্ব শালেপুর মুন্সিরচর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম গুরুতর আহত হন এবং পরে রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয়দের ভিড় জমে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মেয়ের মরদেহ ফিরে পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দিপালীর পরিবারের জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন, তা করা হবে। ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক মো. আশিক সিদ্দিকী জানান, দাফন খরচ বাবদ বিমানবন্দর থেকেই পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের টিকিটের অস্বাভাবিক দাম: ক্ষুব্ধ ট্রাম্প নিজেও খরচ করতে নারাজ

লেবাননে নিহত দিপালীর মরদেহ দেশে, ফরিদপুরের বাড়িতে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী বেগমের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। প্রায় এক মাস পর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিপালীর মরদেহবাহী বিমান অবতরণ করে। সেখানে পরিবারের সদস্যরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দের উপস্থিতিতে মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন তারা। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে পৌঁছে ট্রলারে করে চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে আসেন। সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে করে দিপালীর মরদেহ পূর্ব শালেপুর মুন্সিরচর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম গুরুতর আহত হন এবং পরে রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয়দের ভিড় জমে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মেয়ের মরদেহ ফিরে পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়দ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দিপালীর পরিবারের জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন, তা করা হবে। ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারী পরিচালক মো. আশিক সিদ্দিকী জানান, দাফন খরচ বাবদ বিমানবন্দর থেকেই পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।