ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ, জাতিসংঘের ফোরামে আহ্বান

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহি জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ জোর আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘পুরো-সরকার এবং পুরো-সমাজ’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহি জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার প্রসারিত করছে।

মন্ত্রী জানান, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদকালের জন্য একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি আরও জানান যে, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি হামলাকে ‘লাভ ট্যাপ’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ, জাতিসংঘের ফোরামে আহ্বান

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহি জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বৈশ্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ জোর আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘পুরো-সরকার এবং পুরো-সমাজ’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহি জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার প্রসারিত করছে।

মন্ত্রী জানান, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদকালের জন্য একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি আরও জানান যে, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।