মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ঘোষণা করেছেন যে, অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের অবৈধভাবে নেওয়া সুবিধাগুলো আদায়ের জন্য বিচারের মুখোমুখি করা হবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার আহ্বানও জানান।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ও প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “বিগত সময়ে অমুক্তিযোদ্ধাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা অনৈতিক ও বেআইনি। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি যে, আমরা সেসব অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করবো এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তারা যে বেআইনি সুবিধাগুলো নিয়েছেন, সেগুলোর জন্য তাদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।”
অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে স্বেচ্ছায় রিজাইন করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আজও আমি আপনাদের সামনে আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দের সামনে ঘোষণা করছি। যারা অমুক্তিযোদ্ধা, তাদের বলবো আপনারা এখনই স্বেচ্ছায় এই তালিকা থেকে রিজাইন করুন। সেক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা অবশ্যই কমতে পারে। আর আমরা যখন চিহ্নিত করবো, তখন কিন্তু শাস্তির মাত্রা যত থাকে, ততই হবে।” তিনি আরও জানান যে, দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার কোনো বন্ধ হবে না।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনার কাজ চলছে উল্লেখ করে আহমেদ আযম খান বলেন, “আমাদের নেতা নয়ন জাহাঙ্গীর, সাদেক খান মন্ত্রণালয়ে গঠনতন্ত্র জমা দিয়েছেন। আমি ব্যস্ত থাকি, গঠনতন্ত্র আমাকে একটু পড়তে হবে। এজন্য আমাকে একটু সময় দেন। জুন মাস শেষের মধ্যে কাউন্সিল করতে হবে এবং এক মাস আগে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মে মাসের মধ্যেই সব ব্যবস্থা করতে হবে।”
সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়করা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























