কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি কেবল দৃশ্যপট বা সংলাপের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে না, বরং এর পেছনে কাজ করে এক অদৃশ্য সুরের জগত। এই সুর বা সংগীত যখন সিনেমার চরিত্রেরাও শুনতে পায়, তখন তাকে বলা হয় ‘ডাইজেটিক মিউজিক’। এটি কেবল দর্শকের বিনোদনের খোরাক নয়, বরং একটি কাল্পনিক সভ্যতার সংস্কৃতি ও মানসিকতা ফুটিয়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম।
বিজ্ঞানভিত্তিক সিনেমায় সংগীতের ব্যবহার নিয়ে বরাবরই এক ধরনের দ্বন্দ্ব কাজ করে। একদিকে থাকে অচেনা ও রহস্যময় মহাজাগতিক সুরের আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে আমাদের চিরচেনা পৃথিবীর পরিচিত সুরের টান। এই সীমাবদ্ধতার কারণেই ভবিষ্যতের কাল্পনিক জগতগুলো মূলত বর্তমানের সুরেরই এক বিবর্তিত রূপ হিসেবে ধরা দেয়। সময়ের সাথে সাথে সেই সুর অনেক সময় সেকেলে হয়ে পড়লেও, মানব কল্পনায় সুর ও শব্দের গুরুত্ব চিরন্তন।
রিপোর্টারের নাম 

























