ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হলো চতুর্থ জাতীয় বৌদ্ধ শিল্প প্রদর্শনী ‘বাংলার বুদ্ধ’

রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ শিল্প ও আধ্যাত্মিকতা বিষয়ক বিশেষ প্রদর্শনী ‘বাংলার বুদ্ধ: আমাদের পবিত্র সংঘ’। গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই প্রদর্শনীটি আগামী ৬ মে পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলাকে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরতেই এই চতুর্থ আসরের আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের প্রদর্শনীর মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘সংঘ’ বা পবিত্র সম্প্রদায়। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে গৌতম বুদ্ধের জীবন দর্শন, করুণা এবং মানবিক বাণীর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শিল্পীদের নিপুণ তুলিতে। প্রদর্শনীতে মোট ৮০ জন বাংলাদেশি শিল্পীর ৯১টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। জলরং, ভাস্কর্য, সিরামিক, নকশিকাঁথা এবং ধাতুশিল্পসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা তুলে ধরেছেন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। প্রদর্শনীর শেষ দিনে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হবে, যেখানে শ্রেষ্ঠ শিল্পীর জন্য রয়েছে বিশেষ সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজাগামী ত্রাণবহর থেকে আটক দুই বিদেশি কর্মীকে আদালতে তুলছে ইসরাইল

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হলো চতুর্থ জাতীয় বৌদ্ধ শিল্প প্রদর্শনী ‘বাংলার বুদ্ধ’

আপডেট সময় : ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ শিল্প ও আধ্যাত্মিকতা বিষয়ক বিশেষ প্রদর্শনী ‘বাংলার বুদ্ধ: আমাদের পবিত্র সংঘ’। গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই প্রদর্শনীটি আগামী ৬ মে পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলাকে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরতেই এই চতুর্থ আসরের আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের প্রদর্শনীর মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘সংঘ’ বা পবিত্র সম্প্রদায়। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে গৌতম বুদ্ধের জীবন দর্শন, করুণা এবং মানবিক বাণীর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শিল্পীদের নিপুণ তুলিতে। প্রদর্শনীতে মোট ৮০ জন বাংলাদেশি শিল্পীর ৯১টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। জলরং, ভাস্কর্য, সিরামিক, নকশিকাঁথা এবং ধাতুশিল্পসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা তুলে ধরেছেন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। প্রদর্শনীর শেষ দিনে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হবে, যেখানে শ্রেষ্ঠ শিল্পীর জন্য রয়েছে বিশেষ সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার।