বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি কেবল বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার আড়ালে লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এটি মূলত আইন, অর্থনৈতিক কাঠামো এবং মালিকানা স্বত্বের মতো গভীর বিষয়গুলোর সাথে জড়িয়ে আছে। আপাতদৃষ্টিতে গণমাধ্যমকে বহুমাত্রিক মনে হলেও, প্রাতিষ্ঠানিক চাপ ও সম্পাদকীয় সীমাবদ্ধতার কারণে এর প্রকৃত স্বাধীনতা প্রায়শই সংকুচিত হয়ে পড়ে, যা সাধারণ মানুষের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
দেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম এখন বড় বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে, যাদের নিজস্ব বাণিজ্যিক স্বার্থ সাংবাদিকতার নীতিকে প্রভাবিত করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অনেক সংবাদের ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তগুলো নিউজরুমের বাইরে থেকেও নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়া রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপনী আয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং কিছু বিতর্কিত আইনি বিধান সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে, যা পরোক্ষভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা সেলফ-সেন্সরশিপকে উৎসাহিত করে।
রিপোর্টারের নাম 

























