ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

গোদাগাড়ীতে পুলিশের জিম্মায় থাকা জমি পানির দরে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আদালতের নির্দেশে পুলিশের জিম্মায় (রিসিভার) থাকা ৭০ বিঘা কৃষিজমি বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ কম দামে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, যেখানে প্রতি বিঘা জমি বছরে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বর্গা হয়, সেখানে পুলিশ মাত্র ২ হাজার ৭৫০ টাকা দরে ওই জমি ইজারা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের এক সোর্সকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাটিকাটা ইউনিয়নের কৃষ্ণবাটি মৌজার ওই জমিগুলো নিয়ে মামলা চলায় আদালত গোদাগাড়ী থানার পুলিশকে রিসিভার নিযুক্ত করেন। নিয়ম অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও, স্থানীয় একটি পত্রিকায় দায়সারা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তড়িঘড়ি করে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তৎকালীন ওসির দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল হাসানের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বর্তমান ওসির কাছে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। কৃষকদের দাবি, তাদের নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশ পুনরায় জমি নিলামের জন্য আদালতের অনুমতি চেয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানালো মিশর

গোদাগাড়ীতে পুলিশের জিম্মায় থাকা জমি পানির দরে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৪২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আদালতের নির্দেশে পুলিশের জিম্মায় (রিসিভার) থাকা ৭০ বিঘা কৃষিজমি বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ কম দামে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, যেখানে প্রতি বিঘা জমি বছরে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় বর্গা হয়, সেখানে পুলিশ মাত্র ২ হাজার ৭৫০ টাকা দরে ওই জমি ইজারা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের এক সোর্সকে অনৈতিক সুবিধা দিতেই এই গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাটিকাটা ইউনিয়নের কৃষ্ণবাটি মৌজার ওই জমিগুলো নিয়ে মামলা চলায় আদালত গোদাগাড়ী থানার পুলিশকে রিসিভার নিযুক্ত করেন। নিয়ম অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও, স্থানীয় একটি পত্রিকায় দায়সারা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তড়িঘড়ি করে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তৎকালীন ওসির দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিনুল হাসানের বিরুদ্ধে এই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বর্তমান ওসির কাছে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। কৃষকদের দাবি, তাদের নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশ পুনরায় জমি নিলামের জন্য আদালতের অনুমতি চেয়েছে বলে জানা গেছে।