ঘরের মাঠে ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ‘ডি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলেসে দক্ষিণ আমেরিকার দল প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে তারা। এই ম্যাচটি ঐতিহাসিক, কারণ ৯৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হতে চলেছে। সবশেষ ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে একমাত্র সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্র ৩-০ গোলের জয় পেয়েছিল। একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক। নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার জন্য উভয় দলের জন্যই এই ম্যাচে একটি ইতিবাচক শুরু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্র এবার ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখছে। কোচ মৌরিসিও পোচেত্তিনোর দল প্রায় দুই বছর সময় পেয়েছে প্রস্তুতির জন্য। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হারলেও তার আগে সেনেগালকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফিফা র্যাংকিংয়ের ১৬ নম্বরে থাকা দলটি এবার তাদের ১২তম বিশ্বকাপ খেলছে। ২০০২ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য, যদিও সর্বশেষ তিন আসরেই তারা নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।
অন্যদিকে, দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরেছে প্যারাগুয়ে। ২০১০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে তারা। কনমেবল বাছাইপর্বে ষষ্ঠ হয়ে টিকিট নিশ্চিত করে গুস্তাভো আলফারোর দল। বিশ্বকাপের আগে দারুণ ছন্দে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। সর্বশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে জয় পেয়েছে তারা, যার মধ্যে নিকারাগুয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় জয়ও রয়েছে। আলফারোর অধীনে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারানো তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ইতিহাস প্যারাগুয়ের পক্ষে নেই। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আটবারের মধ্যে মাত্র একবার জয়ের দেখা পেয়েছে তারা। এছাড়া আয়োজক দেশের বিপক্ষে খেলা আগের দুই ম্যাচের কোনোটিতেই জয় পায়নি তারা। দলীয় শক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভরসা ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ, ফোলারিন বালোগুন, ওয়েস্টন ম্যাককেনি ও টাইলার অ্যাডামসদের ওপর।
রিপোর্টারের নাম 





















