ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ওসির বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়, তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ

বাগেরহাটের মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ এইচ এম লুৎফুল কবিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, রহস্যজনক কারণে তদন্ত প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এ নিয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগী মহলে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও নৌযান শ্রমিকদের অভিযোগ, গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পরও ঘাট এলাকায় অনিয়মিত অর্থ আদায়ের দৌরাত্ম্য কমেনি। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, নৌযান শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ভাষ্যমতে, কাজের পরিবেশ আগের চেয়েও প্রতিকূল হয়ে উঠেছে। এদিকে, অভিযুক্ত ওসি লুৎফুল কবির সব অভিযোগ অস্বীকার করে একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন। নৌপুলিশ খুলনা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মঞ্জুর মোরশেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সত্যতা মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ঘাট এলাকায় অরাজকতা আরও বাড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানালো মিশর

মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ওসির বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়, তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ এইচ এম লুৎফুল কবিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, রহস্যজনক কারণে তদন্ত প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এ নিয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগী মহলে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও নৌযান শ্রমিকদের অভিযোগ, গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পরও ঘাট এলাকায় অনিয়মিত অর্থ আদায়ের দৌরাত্ম্য কমেনি। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে, নৌযান শ্রমিক আলমগীর হোসেনের ভাষ্যমতে, কাজের পরিবেশ আগের চেয়েও প্রতিকূল হয়ে উঠেছে। এদিকে, অভিযুক্ত ওসি লুৎফুল কবির সব অভিযোগ অস্বীকার করে একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন। নৌপুলিশ খুলনা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মঞ্জুর মোরশেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সত্যতা মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ঘাট এলাকায় অরাজকতা আরও বাড়বে।