ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় পিঠা উৎসবের পর্দা নামছে আজ

বাঙালির লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্মারক জাতীয় পিঠা উৎসবের সমাপনী দিন আজ। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গত ১০ দিন ধরে চলা এই উৎসবের আজই শেষ দিন। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার দেখতে ভিড় করেছেন হাজারো মানুষ। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নগরবাসীর কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের ১৯তম জাতীয় পিঠা উৎসবে কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রন্ধনশিল্পীরা তাদের তৈরি বিচিত্র সব পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন। মেলায় ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ছাড়াও বিলুপ্তপ্রায় অনেক দেশীয় পিঠার দেখা মিলেছে। পিঠার পাশাপাশি মেলায় বৈশাখী সাজের বিভিন্ন সামগ্রী এবং কারুপণ্যের স্টলও ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। মাত্র ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন স্বাদের পিঠা উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন উৎসবে আসা মানুষজন।

জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্‌যাপন পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবের সমাপনী সন্ধ্যায় আজ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে ফাস্ট ফুড সংস্কৃতির বাইরে দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই প্রতিবছর এ ধরনের উৎসবের আয়োজন করা হয়। আজ রাত ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান: ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় পিঠা উৎসবের পর্দা নামছে আজ

আপডেট সময় : ১২:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

বাঙালির লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্মারক জাতীয় পিঠা উৎসবের সমাপনী দিন আজ। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গত ১০ দিন ধরে চলা এই উৎসবের আজই শেষ দিন। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার দেখতে ভিড় করেছেন হাজারো মানুষ। হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নগরবাসীর কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের ১৯তম জাতীয় পিঠা উৎসবে কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রন্ধনশিল্পীরা তাদের তৈরি বিচিত্র সব পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেন। মেলায় ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ছাড়াও বিলুপ্তপ্রায় অনেক দেশীয় পিঠার দেখা মিলেছে। পিঠার পাশাপাশি মেলায় বৈশাখী সাজের বিভিন্ন সামগ্রী এবং কারুপণ্যের স্টলও ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। মাত্র ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন স্বাদের পিঠা উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন উৎসবে আসা মানুষজন।

জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্‌যাপন পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবের সমাপনী সন্ধ্যায় আজ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে ফাস্ট ফুড সংস্কৃতির বাইরে দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই প্রতিবছর এ ধরনের উৎসবের আয়োজন করা হয়। আজ রাত ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।