ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

চোখের সামনে তলিয়ে গেল স্বপ্ন, পাকার ধান পচে যাওয়ার শোকে কৃষকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিজের কষ্টার্জিত সোনালি ফসল চোখের সামনে পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। মৃত কৃষকের নাম আহাদ মিয়া (৫৫), তিনি ওই গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে অনেক ধারদেনা করে ছয় বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন আহাদ মিয়া। ধান পাকার এই শেষ সময়ে হঠাৎ ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তার সব কটি জমি তলিয়ে যায়। সকালে শ্রমিকদের নিয়ে ধান কাটতে গিয়ে ফসলের এই করুণ দশা দেখে তিনি মাঠেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। দুপুরে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে তাদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ইতিমধ্যে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাকে নিহতের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১২৬১

চোখের সামনে তলিয়ে গেল স্বপ্ন, পাকার ধান পচে যাওয়ার শোকে কৃষকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:১৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিজের কষ্টার্জিত সোনালি ফসল চোখের সামনে পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। মৃত কৃষকের নাম আহাদ মিয়া (৫৫), তিনি ওই গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে অনেক ধারদেনা করে ছয় বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন আহাদ মিয়া। ধান পাকার এই শেষ সময়ে হঠাৎ ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তার সব কটি জমি তলিয়ে যায়। সকালে শ্রমিকদের নিয়ে ধান কাটতে গিয়ে ফসলের এই করুণ দশা দেখে তিনি মাঠেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। দুপুরে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে তাদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ইতিমধ্যে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাকে নিহতের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।