ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে ছাড় দিতে নারাজ ট্রাম্প, কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল-জাজিরার একজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথে স্থায়ীভাবে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার চান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকটি বিষয়ে তার অনমনীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন, যেগুলোকে তিনি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদিও এই সীমাগুলো ঠিক কী, তা এখনো সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত যে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে ট্রাম্প একটি স্থায়ী অঙ্গীকার আদায় করতে চান। এটি কোনো সাময়িক স্থগিতাদেশ বা নির্দিষ্ট মেয়াদের বিষয় নয়, বরং একটি চিরস্থায়ী প্রতিশ্রুতির বিষয়।

ইরানের কাছ থেকে ট্রাম্প আর কী কী প্রত্যাশা করেন, তা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তবে এটি স্পষ্ট যে, তার প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মৌলিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো ইরানের পারমাণবিক ইস্যুটি। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ককে একটি নতুন মোড় দিতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের মুগা খান মসজিদ: চারশ বছরের পুরনো মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন

পরমাণু ইস্যুতে ইরানকে ছাড় দিতে নারাজ ট্রাম্প, কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ০৮:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল-জাজিরার একজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথে স্থায়ীভাবে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার চান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকটি বিষয়ে তার অনমনীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন, যেগুলোকে তিনি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদিও এই সীমাগুলো ঠিক কী, তা এখনো সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত যে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে ট্রাম্প একটি স্থায়ী অঙ্গীকার আদায় করতে চান। এটি কোনো সাময়িক স্থগিতাদেশ বা নির্দিষ্ট মেয়াদের বিষয় নয়, বরং একটি চিরস্থায়ী প্রতিশ্রুতির বিষয়।

ইরানের কাছ থেকে ট্রাম্প আর কী কী প্রত্যাশা করেন, তা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। তবে এটি স্পষ্ট যে, তার প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মৌলিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো ইরানের পারমাণবিক ইস্যুটি। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ককে একটি নতুন মোড় দিতে পারে।