ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড শাল্লা: ৫ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন পুরো উপজেলা, চরম ভোগান্তি

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। গত রোববার বিকেলের ঝড়ে দিরাই-শাল্লা সঞ্চালন লাইনের অন্তত ২০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে যাওয়ায় গত পাঁচ দিন ধরে অন্ধকারে রয়েছে পুরো উপজেলা। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি দাপ্তরিক কাজ এবং সাধারণ মানুষের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎহীন অবস্থায় উপজেলা সদরের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাখা ফ্রিজিং করা মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পড়াশোনা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন জেনারেটরের মাধ্যমে জরুরি কাজগুলো চালিয়ে নিলেও সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালগুলোতে সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, ভেঙে যাওয়া খুঁটিগুলো মেরামতের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তবে দুর্গম এলাকা হওয়ায় কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত একদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টানা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান: ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড শাল্লা: ৫ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন পুরো উপজেলা, চরম ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। গত রোববার বিকেলের ঝড়ে দিরাই-শাল্লা সঞ্চালন লাইনের অন্তত ২০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে যাওয়ায় গত পাঁচ দিন ধরে অন্ধকারে রয়েছে পুরো উপজেলা। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি দাপ্তরিক কাজ এবং সাধারণ মানুষের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎহীন অবস্থায় উপজেলা সদরের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাখা ফ্রিজিং করা মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পড়াশোনা করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন জেনারেটরের মাধ্যমে জরুরি কাজগুলো চালিয়ে নিলেও সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালগুলোতে সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, ভেঙে যাওয়া খুঁটিগুলো মেরামতের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তবে দুর্গম এলাকা হওয়ায় কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত একদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টানা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।