ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

যুদ্ধবিরতির সুযোগে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান, নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা নতুন করে সাজাচ্ছে বলে দাবি করেছে মার্কিন গণমাধ্যম। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে তেহরান। একই সঙ্গে তারা মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রভাণ্ডারগুলোও সচল করার চেষ্টা করছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান খুব দ্রুত তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকায়ন এবং পুনর্গঠন সম্পন্ন করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য যেকোনো পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই বিরতিকে কেবল অস্ত্র উদ্ধারের কাজে নয়, বরং নতুন প্রযুক্তির ড্রোন মোতায়েনের সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই সামরিক তৎপরতা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের মুগা খান মসজিদ: চারশ বছরের পুরনো মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন

যুদ্ধবিরতির সুযোগে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান, নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০১:০০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা নতুন করে সাজাচ্ছে বলে দাবি করেছে মার্কিন গণমাধ্যম। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে তেহরান। একই সঙ্গে তারা মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রভাণ্ডারগুলোও সচল করার চেষ্টা করছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান খুব দ্রুত তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকায়ন এবং পুনর্গঠন সম্পন্ন করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য যেকোনো পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই বিরতিকে কেবল অস্ত্র উদ্ধারের কাজে নয়, বরং নতুন প্রযুক্তির ড্রোন মোতায়েনের সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই সামরিক তৎপরতা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।