ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চরম উত্তেজনার আবহে ইরানে পারস্য উপসাগর দিবস পালিত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেই ইরানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস। ১৬২২ সালে হরমুজ প্রণালি থেকে পর্তুগিজ বাহিনীকে বিতাড়নের ঐতিহাসিক বিজয়কে স্মরণ করে প্রতি বছর এপ্রিল মাসের শেষে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

এ বছর দিবসটি তেহরানের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাজধানী তেহরানের তাবিয়াত ব্রিজে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে জনমনে দেশপ্রেম ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার।

ইরানের ক্রীড়া উন্নয়ন বিষয়ক উপ-মন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জনগণের মনোবল চাঙ্গা রাখা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এবারের উদযাপনকে কেবল ঐতিহাসিক স্মরণ নয়, বরং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জাতীয় ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শনের একটি মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় জড়িত ভিপি ইমির জামিন মঞ্জুর

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চরম উত্তেজনার আবহে ইরানে পারস্য উপসাগর দিবস পালিত

আপডেট সময় : ০১:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেই ইরানে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস। ১৬২২ সালে হরমুজ প্রণালি থেকে পর্তুগিজ বাহিনীকে বিতাড়নের ঐতিহাসিক বিজয়কে স্মরণ করে প্রতি বছর এপ্রিল মাসের শেষে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

এ বছর দিবসটি তেহরানের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাজধানী তেহরানের তাবিয়াত ব্রিজে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে জনমনে দেশপ্রেম ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার।

ইরানের ক্রীড়া উন্নয়ন বিষয়ক উপ-মন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জনগণের মনোবল চাঙ্গা রাখা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এবারের উদযাপনকে কেবল ঐতিহাসিক স্মরণ নয়, বরং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জাতীয় ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শনের একটি মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।