ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বজ্রপাতে বাগেরহাটে বসতঘর ভস্মীভূত, সহায়তার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বজ্রপাতের ঘটনায় একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে, সৌভাগ্যক্রমে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরবানিয়ারি ইউনিয়নের দড়ি উমাজুড়ী গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। বাড়ির বাসিন্দা শুভংকর রায় জানান, তিনি তার স্ত্রী লোপা হালদার এবং ১০ বছর বয়সী কন্যা সংগীতাকে নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার কয়েক দিন আগে তিনি পারিবারিক কারণে পাশের গজালিয়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে তারা দেখতে পান, বজ্রপাতের ফলে বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, মেয়ে সংগীতার পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তকসহ সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষায় এলো নতুন অ্যাপ ‘এক্সচ্যাট’: থাকছে উন্নত নিরাপত্তা ফিচার

বজ্রপাতে বাগেরহাটে বসতঘর ভস্মীভূত, সহায়তার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের

আপডেট সময় : ০২:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারীতে বজ্রপাতের ঘটনায় একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে, সৌভাগ্যক্রমে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরবানিয়ারি ইউনিয়নের দড়ি উমাজুড়ী গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। বাড়ির বাসিন্দা শুভংকর রায় জানান, তিনি তার স্ত্রী লোপা হালদার এবং ১০ বছর বয়সী কন্যা সংগীতাকে নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার কয়েক দিন আগে তিনি পারিবারিক কারণে পাশের গজালিয়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে তারা দেখতে পান, বজ্রপাতের ফলে বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া, মেয়ে সংগীতার পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তকসহ সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।