ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা: বন্দিদের সাজা এক-ষষ্ঠাংশ হ্রাস, অং সান সু চির দণ্ড কমবে কি?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারের সামরিক শাসক ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মিন অং হ্লাইং দেশের সকল বন্দির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি ছুটির দিন উপলক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন বন্দির পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির কারাদণ্ডও কিছুটা কমতে পারে বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাধারণ ক্ষমার আওতায় বন্দিদের অবশিষ্ট সাজা এক-ষষ্ঠাংশ হ্রাস করা হবে। তবে কোনো নির্দিষ্ট বন্দির নাম উল্লেখ করা হয়নি। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে আটক থাকা অং সান সু চি এখনো কারাবন্দি। তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর এক সাবেক জ্যেষ্ঠ সদস্য জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্তে সু চির সাজা কিছুটা কমলেও মোট দণ্ড কতটা হ্রাস পাবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। একটি এনএলডি-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ৮০ বছর বয়সী সু চিও এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়বেন।

এর আগে ২০২৩ সালে সু চির বিরুদ্ধে আনা কিছু অভিযোগে ক্ষমার পর তার সাজা কমে ২৭ বছরে নেমে আসে। সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, কোভিড-১৯ বিধি লঙ্ঘনসহ একাধিক মামলা রয়েছে, যেগুলোকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা কমানোর একটি চেষ্টা হতে পারে। তবে বিরোধী পক্ষ ও পর্যবেক্ষকরা এটিকে সামরিক সরকারের সীমিত ও প্রতীকী সংস্কার হিসেবেই দেখছেন। এদিকে, সু চির পরিবার ও সমর্থকরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার ফাঁদ: ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে ব্যবহারকারীরা

মিয়ানমারে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা: বন্দিদের সাজা এক-ষষ্ঠাংশ হ্রাস, অং সান সু চির দণ্ড কমবে কি?

আপডেট সময় : ০১:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের সামরিক শাসক ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মিন অং হ্লাইং দেশের সকল বন্দির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি ছুটির দিন উপলক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন বন্দির পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির কারাদণ্ডও কিছুটা কমতে পারে বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাধারণ ক্ষমার আওতায় বন্দিদের অবশিষ্ট সাজা এক-ষষ্ঠাংশ হ্রাস করা হবে। তবে কোনো নির্দিষ্ট বন্দির নাম উল্লেখ করা হয়নি। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে আটক থাকা অং সান সু চি এখনো কারাবন্দি। তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর এক সাবেক জ্যেষ্ঠ সদস্য জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্তে সু চির সাজা কিছুটা কমলেও মোট দণ্ড কতটা হ্রাস পাবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। একটি এনএলডি-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ৮০ বছর বয়সী সু চিও এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়বেন।

এর আগে ২০২৩ সালে সু চির বিরুদ্ধে আনা কিছু অভিযোগে ক্ষমার পর তার সাজা কমে ২৭ বছরে নেমে আসে। সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, কোভিড-১৯ বিধি লঙ্ঘনসহ একাধিক মামলা রয়েছে, যেগুলোকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা কমানোর একটি চেষ্টা হতে পারে। তবে বিরোধী পক্ষ ও পর্যবেক্ষকরা এটিকে সামরিক সরকারের সীমিত ও প্রতীকী সংস্কার হিসেবেই দেখছেন। এদিকে, সু চির পরিবার ও সমর্থকরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।