ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়, সবার জন্য সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চায় না এবং অতীতেও এ ধরনের কোনো কাজ করেনি। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, ধর্ম যার যার, তবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল নীতি।

বৃহস্পতিবার সকালে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে নানা ধর্ম রয়েছে এবং প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করে। বৌদ্ধ ধর্মের মূল ভিত্তি হলো প্রেম, অহিংসা ও সর্বজীবে দয়া। এই নীতিগুলো শুধুমাত্র বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য নয়, বরং প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন, তবে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও অঙ্গীকার হলো এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজের ধর্মীয় রীতি-নীতি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার ফাঁদ: ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে ব্যবহারকারীরা

ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়, সবার জন্য সমান অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চায় না এবং অতীতেও এ ধরনের কোনো কাজ করেনি। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, ধর্ম যার যার, তবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল নীতি।

বৃহস্পতিবার সকালে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীতে নানা ধর্ম রয়েছে এবং প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের পথে আহ্বান করে। বৌদ্ধ ধর্মের মূল ভিত্তি হলো প্রেম, অহিংসা ও সর্বজীবে দয়া। এই নীতিগুলো শুধুমাত্র বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য নয়, বরং প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি নাগরিকরা যদি নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন, তবে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও অঙ্গীকার হলো এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজের ধর্মীয় রীতি-নীতি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।