ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংসের পথে কবি শেখ ফজলুল করিমের স্মৃতিবিজড়িত ভিটা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর/ মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’—এমন কালজয়ী কবিতার স্রষ্টা শেখ ফজলুল করিমের পৈতৃক ভিটা আজ চরম অবহেলা আর অযত্নে বিলীন হওয়ার পথে। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামে কবির স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটি সংস্কারের অভাবে তার জৌলুস ও ঐতিহ্য হারাচ্ছে। কবির ব্যবহৃত নানা স্মৃতিচিহ্ন যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কবির জরাজীর্ণ টিনশেড বাড়ির একটি কক্ষে তার ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, দোয়াত-কলম এবং পবিত্র কুরআন শরিফ রাখা হলেও সেগুলো ধুলোবালিতে ঢাকা পড়ে আছে। পর্যটকদের জন্য সেখানে নেই কোনো বিশ্রামাগার বা বসার ব্যবস্থা। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের অভিযোগ, কবির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকীতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা হলেও সারা বছর বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণে কোনো কার্যকর সরকারি উদ্যোগ দেখা যায় না।

কবির স্মৃতি রক্ষার্থে সেখানে একটি আধুনিক জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ১৮৮৩ সালে জন্ম নেওয়া এই মরমী কবির স্মৃতিচিহ্নগুলো দ্রুত সংরক্ষণ করা না হলে আগামী প্রজন্মের কাছে তার ইতিহাস মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজনেরা। কবির বংশধররা ঘরটি আগলে রাখার চেষ্টা করলেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই ঐতিহ্য রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণরায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ ২৫ জুলাই

অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংসের পথে কবি শেখ ফজলুল করিমের স্মৃতিবিজড়িত ভিটা

আপডেট সময় : ১২:১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর/ মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’—এমন কালজয়ী কবিতার স্রষ্টা শেখ ফজলুল করিমের পৈতৃক ভিটা আজ চরম অবহেলা আর অযত্নে বিলীন হওয়ার পথে। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা গ্রামে কবির স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটি সংস্কারের অভাবে তার জৌলুস ও ঐতিহ্য হারাচ্ছে। কবির ব্যবহৃত নানা স্মৃতিচিহ্ন যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কবির জরাজীর্ণ টিনশেড বাড়ির একটি কক্ষে তার ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, দোয়াত-কলম এবং পবিত্র কুরআন শরিফ রাখা হলেও সেগুলো ধুলোবালিতে ঢাকা পড়ে আছে। পর্যটকদের জন্য সেখানে নেই কোনো বিশ্রামাগার বা বসার ব্যবস্থা। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের অভিযোগ, কবির জন্ম বা মৃত্যুবার্ষিকীতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা হলেও সারা বছর বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণে কোনো কার্যকর সরকারি উদ্যোগ দেখা যায় না।

কবির স্মৃতি রক্ষার্থে সেখানে একটি আধুনিক জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ১৮৮৩ সালে জন্ম নেওয়া এই মরমী কবির স্মৃতিচিহ্নগুলো দ্রুত সংরক্ষণ করা না হলে আগামী প্রজন্মের কাছে তার ইতিহাস মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজনেরা। কবির বংশধররা ঘরটি আগলে রাখার চেষ্টা করলেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই ঐতিহ্য রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তারা।