বাংলার ইতিহাসে সুলতানি আমল বিশেষ করে গিয়াসুদ্দিন আজম শাহর রাজত্বকাল মুসলিম অভিবাসন ও সমাজ সংস্কারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনার সঙ্গে বাংলার নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। তৎকালীন সময়ে আফ্রিকার হাবশি মুসলমানদের বাংলায় আগমন এবং রাজকার্যে তাদের অংশগ্রহণ এ দেশের জনমিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।
পরবর্তীতে রাজা গণেশের ক্ষমতা দখল এবং তার পুত্র জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহর ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন আসে। এই রূপান্তরে শায়খ নূর কুতুবুল আলমের মতো সুফি সাধকদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ দেশে ইসলামি সংস্কৃতি ও সমাজব্যবস্থা শক্তিশালী ভিত্তি লাভ করে।
একই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ বঙ্গে খান জাহান আলীর অবদান অবিস্মরণীয়। আধুনিক বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলে সুন্দরবনের গহিন অরণ্য পরিষ্কার করে তিনি যে মুসলিম জনপদ গড়ে তুলেছিলেন, তা কৃষি ও স্থাপত্যকলার বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এই অঞ্চলে তার নির্মিত মসজিদ ও জনহিতকর কাজগুলো আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
রিপোর্টারের নাম 

























