বাংলাদেশে নারীবাদের বিবর্তন এক উল্লেখযোগ্য পর্যায় অতিক্রম করছে। একসময় ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সখ্যতা এবং পরবর্তীতে ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা থাকলেও, বর্তমানে নারীবাদের নতুন ধারাগুলো ক্রমশ প্রভাবশালী হয়ে উঠছে।
সম্প্রতি, ‘মোরগ-পোলাও’ নামকরণের যৌক্তিকতা নিয়ে এক নারীর প্রশ্ন সমাজের পুরুষ মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, পোলাও রান্নায় মোরগ এবং মুরগি উভয়ই ব্যবহৃত হলেও কেন এই খাবারটি কেবল ‘মোরগ-পোলাও’ নামে পরিচিত, যেখানে দৈনন্দিন খাবারে ব্যবহৃত মুরগির মাংসকে কেবল ‘মুরগির মাংস’ বলা হয়। এই পর্যবেক্ষণটি পুরুষদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ উপস্থাপনায়, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়া এবং খালেদা জিয়ার পূর্ববর্তী নারী নেতৃত্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। একজন ইরানি জাহাজের সহযাত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে সে সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তিনি অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিলেন যে বাংলাদেশে পুরুষের অভাব রয়েছে কিনা।
বর্তমানে, নেতৃত্বে নারীর সংখ্যাধিক্য না থাকার বিষয়টি নিয়ে যে সমালোচনা হয়, তা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রও আড়াইশ বছরের মধ্যে কোনো নারীকে প্রেসিডেন্ট বানাতে পারেনি। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আনা হয়েছে, যেখানে তিনি পুরুষ ও নারী প্রতিদ্বন্দ্বীদের মুখোমুখি হয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























