ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টিতে ৬০০ হেক্টর পাকা ধান পানির নিচে, বিপাকে কৃষক

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় চলতি মৌসুমে আকস্মিক অতিবৃষ্টির কারণে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার এক দিনেই এলাকায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান কাটার উপযুক্ত সময়ে এমন বৃষ্টির ফলে জমিতে পানি জমে যাওয়ায় হারভেস্টার মেশিন নামানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে, তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে হাতে ধান কাটার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্তনাদ এখন হাওরজুড়ে। দিরাইয়ের ভরাম হাওরের এক কৃষক জানান, তার চাষকৃত জমির বড় অংশই এখন পানির নিচে। রোদ না থাকায় তলিয়ে যাওয়া ধান কেটেও কোনো লাভ হচ্ছে না, কারণ সেগুলো শুকানোর মতো শুকনো জায়গা বা ‘খলা’ বর্তমানে নেই। এই ফসল হারিয়ে সারা বছরের খোরাকি জোগানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো কৃষক পরিবার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টিতে ৬০০ হেক্টর পাকা ধান পানির নিচে, বিপাকে কৃষক

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় চলতি মৌসুমে আকস্মিক অতিবৃষ্টির কারণে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার এক দিনেই এলাকায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান কাটার উপযুক্ত সময়ে এমন বৃষ্টির ফলে জমিতে পানি জমে যাওয়ায় হারভেস্টার মেশিন নামানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে, তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে হাতে ধান কাটার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্তনাদ এখন হাওরজুড়ে। দিরাইয়ের ভরাম হাওরের এক কৃষক জানান, তার চাষকৃত জমির বড় অংশই এখন পানির নিচে। রোদ না থাকায় তলিয়ে যাওয়া ধান কেটেও কোনো লাভ হচ্ছে না, কারণ সেগুলো শুকানোর মতো শুকনো জায়গা বা ‘খলা’ বর্তমানে নেই। এই ফসল হারিয়ে সারা বছরের খোরাকি জোগানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো কৃষক পরিবার।