দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সাত লক্ষাধিক বইয়ের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা এর পূর্ণ সুবিধা নিতে পারছেন না। গ্রন্থাগারের কিছু প্রাচীন ও কঠোর নিয়মের কারণে শিক্ষার্থীরা সরাসরি শেলফ থেকে বই দেখার সুযোগ পান না, যা তাদের গবেষণাধর্মী কাজে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আধুনিক জ্ঞানচর্চার এই যুগেও শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগার বিমুখ হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বইয়ের তাকে গিয়ে নিজের পছন্দের বই খুঁজে নেওয়া বা উল্টেপাল্টে দেখার কোনো সুযোগ এখানে নেই। কোনো বই প্রয়োজন হলে স্লিপে লিখে লাইব্রেরিয়ানের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অথচ শাহবাগের বিভিন্ন লাইব্রেরি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিভাগীয় লাইব্রেরিগুলোতে সরাসরি বই দেখার স্বাধীনতা রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী জানান, এই সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এখন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পরিবর্তে বিভাগীয় সেমিনার বা বাইরের লাইব্রেরির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ অবশ্য বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছে। তারা মনে করেন, শিক্ষার্থীরা সরাসরি বইয়ের তাকে প্রবেশ করলে বই এলোমেলো হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা পরবর্তীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন করে তুলবে। তবে শিক্ষার্থীদের মতে, প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল ক্যাটালগ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা ব্যবহার না করে পুরোনো ধ্যান-ধারণায় গ্রন্থাগার পরিচালনা করা মেধাবিকাশের পথে বড় বাধা।
রিপোর্টারের নাম 

























