ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

চকরিয়ায় বনের গাছ ও বালু লুটে কোটিপতি ট্রাক শ্রমিক, ক্ষমতার পালাবদলেও অধরা নাজিম

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনের গাছ চুরি এবং খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কোটিপতি বনে গেছেন নাজিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। এক সময় ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করা নাজিম এখন বিশাল এক সিন্ডিকেটের হোতা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। সম্প্রতি এক সাংবাদিককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত দেড় দশকে নাজিম উদ্দিনের সম্পদ রূপকথার মতো বেড়েছে। বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকার গাছ রাতের আঁধারে কেটে পাচার করা ছিল তার আয়ের অন্যতম উৎস। এসব অপকর্মের জন্য তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রাজনৈতিক প্রভাবে তিনি প্রতিবারই জামিনে বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি শাসকদলের স্থানীয় কিছু নেতার আশ্রয়ে নিজের অবৈধ বালু ব্যবসা ও দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নাজিম উদ্দিন হারবাং এলাকায় বন বিভাগের জমি দখল করে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তবে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন ও পরিবেশ ধ্বংসের এই মহোৎসব বন্ধে এবং অভিযুক্ত নাজিম ও তার বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ সুবিধা: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের পদক্ষেপ

চকরিয়ায় বনের গাছ ও বালু লুটে কোটিপতি ট্রাক শ্রমিক, ক্ষমতার পালাবদলেও অধরা নাজিম

আপডেট সময় : ১১:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনের গাছ চুরি এবং খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কোটিপতি বনে গেছেন নাজিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। এক সময় ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করা নাজিম এখন বিশাল এক সিন্ডিকেটের হোতা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। সম্প্রতি এক সাংবাদিককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত দেড় দশকে নাজিম উদ্দিনের সম্পদ রূপকথার মতো বেড়েছে। বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকার গাছ রাতের আঁধারে কেটে পাচার করা ছিল তার আয়ের অন্যতম উৎস। এসব অপকর্মের জন্য তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রাজনৈতিক প্রভাবে তিনি প্রতিবারই জামিনে বেরিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি শাসকদলের স্থানীয় কিছু নেতার আশ্রয়ে নিজের অবৈধ বালু ব্যবসা ও দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নাজিম উদ্দিন হারবাং এলাকায় বন বিভাগের জমি দখল করে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তবে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন ও পরিবেশ ধ্বংসের এই মহোৎসব বন্ধে এবং অভিযুক্ত নাজিম ও তার বাহিনীকে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।