ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তনু হত্যা: গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মামলা দায়েরের ১০ বছর পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের আলোচিত তনু হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর সেটি মেলানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আলোচিত ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।

২০১৭ সালের মে মাসে তৎকালীন তদন্ত সংস্থা সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। সে সময় ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি হলেও সন্দেহভাজনদের সঙ্গে নমুনা ম্যাচিং (মেলানো) করা হয়নি। এবারই প্রথম কারও নমুনা ম্যাচিংয়ের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করেন পিবিআইয়ের সদস্যরা। এরপর তাকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার বিকেলে কুমিল্লার আদালতে আনা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৬ এপ্রিল ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তলব করেন। ওই কর্মকর্তা মামলার অগ্রগতি জানিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনের ডিএনএ নমুনা মেলানোর আবেদন করেন। আদালত তার আবেদনে সম্মতি দেন। ওই তিনজনের একজন হলেন হাফিজুর। অপর দুজন হলেন ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহীন আলম। তারাও বর্তমানে অবসরে আছেন। তবে মামলার বাদী ও তনুর বাবা ইয়ার হোসেনের দাবি, সৈনিকের নাম শাহীন আলম নয়, জাহিদ হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, হাফিজুর রহমানকে বুধবার কুমিল্লার আদালতে হাজির করার আগেই ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আমরা ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে তনু আর বাসায় ফেরেননি। পরে বহু খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের জঙ্গলে তার লাশ পাওয়া যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

তনু হত্যা: গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মামলা দায়েরের ১০ বছর পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের আলোচিত তনু হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর সেটি মেলানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আলোচিত ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।

২০১৭ সালের মে মাসে তৎকালীন তদন্ত সংস্থা সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। সে সময় ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি হলেও সন্দেহভাজনদের সঙ্গে নমুনা ম্যাচিং (মেলানো) করা হয়নি। এবারই প্রথম কারও নমুনা ম্যাচিংয়ের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে আটক করেন পিবিআইয়ের সদস্যরা। এরপর তাকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার বিকেলে কুমিল্লার আদালতে আনা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৬ এপ্রিল ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তলব করেন। ওই কর্মকর্তা মামলার অগ্রগতি জানিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তিনজনের ডিএনএ নমুনা মেলানোর আবেদন করেন। আদালত তার আবেদনে সম্মতি দেন। ওই তিনজনের একজন হলেন হাফিজুর। অপর দুজন হলেন ঘটনার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহীন আলম। তারাও বর্তমানে অবসরে আছেন। তবে মামলার বাদী ও তনুর বাবা ইয়ার হোসেনের দাবি, সৈনিকের নাম শাহীন আলম নয়, জাহিদ হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, হাফিজুর রহমানকে বুধবার কুমিল্লার আদালতে হাজির করার আগেই ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আমরা ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে তনু আর বাসায় ফেরেননি। পরে বহু খোঁজাখুঁজির পর সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের জঙ্গলে তার লাশ পাওয়া যায়।