ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: উজিরপুরে কেন্দ্র সচিবসহ ২ শিক্ষক বহিষ্কার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও এক সহকারী শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বৃহস্পতিবার এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বহিষ্কৃতরা হলেন—কেন্দ্র সচিব ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডল।

জানা গেছে, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ভুলবশত ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা ও জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ইউএনও মো. আলী সুজা জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারোয়ার আলমগীরের গেজেট ও শপথ স্থগিত, রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: উজিরপুরে কেন্দ্র সচিবসহ ২ শিক্ষক বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও এক সহকারী শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বৃহস্পতিবার এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বহিষ্কৃতরা হলেন—কেন্দ্র সচিব ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডল।

জানা গেছে, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ভুলবশত ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা ও জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ইউএনও মো. আলী সুজা জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।